ভারতের রাজস্থানের এক গ্রামে এখন সেই ছাগলকে ঘিরে উৎসাহ ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ছাগলটি জন্ম থেকেই বিকলাঙ্গ। কিন্তু সেটি যত বড় হচ্ছে ততই যেন তার মুখের আকৃতি মানুষের মতো হচ্ছে।
এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ছাগলটি। গ্রামের মানুষ ছাগলটিকে ঈশ্বরের দূত হিসাবে মনে করতে শুরু করেছে।
ইতোমধ্যে ছাগলটির পূজা শুরু হয়েছে। ছাগলটির মালিক মুখার্জি প্রজাপাপ জানিয়েছেন, সেটি সাইক্লোপিয়া নামের বিরল রোগে আক্রান্ত। এই রোগে জিনগত প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। যে জিন মুখাবয়ব তৈরিতে কার্যকর হয়ে ওঠে
সেগুলি ঠিকঠাক কাজ করে না। ফলে মানুষ হোক বা প্রাণী, এই রোগে আক্রান্ত হলে মুখাবয়বের আকৃতি অদ্ভুত হতে পারে। রাজস্থানের নিমদিয়া এলাকার মানুষ অবশ্য এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাদের দাবি, ছাগলটিকে বিশেষ
কোনও কারণে সেখানে জন্মগ্রহণ করেছে। আর সেটি ঈশ্বরের দূত। তাই ঘটা করে সেটির পূজা করতে শুরু করেছেন
গ্রামবাসীরা। রাজস্থানে অবশ্য এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও সাইক্লোপিয়া রোগে আক্রান্ত প্রাণীদের পূজা করার
ঘটনা ঘটেছে সেখানে। কিছু কিছু এলাকায় অদ্ভুত দর্শন গাছ দেখলেও গ্রামবাসীরা পূজা করেন বলে জানা গিয়েছে। জিনিউজ।

0 Comments
Please do not enter any spam link in the comment box.